ব্যবসায়ীরা জানান, বাজারে সরবরাহ ঘাটতির কারণে পাইকারিতে দাম বেড়েছে। এর প্রভাব পড়েছে খুচরা পর্যায়েও।
ভোমরা কাস্টম হাউজের রাজস্ব শাখা জানায়, প্রায় এক বছর ধরে স্থলবন্দর দিয়ে রসুন আমদানি বন্ধ রয়েছে।
ভোমরা বন্দরের কৃষিজাত পণ্য আমদানিকারকরা জানান, বাংলাদেশের চেয়ে ভারতে রসুনের দাম প্রায় দ্বিগুণ। ফলে ব্যবসায়ীরা লোকসান এড়াতে রসুন আমদানি বন্ধ রেখেছেন।
গতকাল সাতক্ষীরার সুলতানপুর বড় বাজারে খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি রসুন ৯০-৯৫ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ৮০-৮৫ টাকা। ব্যবসায়ীরা জানান, বাজারে মসলাপণ্যটির সরবরাহ কমে গেছে। তাই দাম বেড়েছে পাইকারি বাজারে। এক সপ্তাহ আগে যে রসুন প্রতি কেজি ৭০ টাকায় কেনা গেছে তা এখন ৮২ টাকা। ফলে খুচরা পর্যায়ে এর প্রভাব পড়েছে।
সাতক্ষীরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম জানান, গত অর্থবছরে জেলায় ৩ হাজার ৪০০ টন রসুন উৎপাদন হয়েছে।
সাতক্ষীরা জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা এসএম আব্দুল্লাহ বণিক বার্তাকে জানান, শুধু রসুন নয়, বাজারে যেকোনো পণ্যের সরবরাহ ঘাটতি হলে দাম কিছুটা বাড়ে। তবে এটি কৃত্রিম সংকট কিনা সেটি যাচাই করে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে।